নিম পাতার ১৫ টি ব্যবহার এবং নিম পাতার উপকারিতা এবং অপকারিতা জানুন
চর্ম রোগে নিম পাতার ব্যবহারপ্রিয় বন্ধুগণ, নিম পাতার ব্যবহার এবং নিম পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের হালকা- হালকা পাতলা কিছু ধারণা আছে। কিন্তু পুরোপুরি ধারণা নেই বললেই চলে। আর আপনারা চাচ্ছেন এ বিষয়ে পুরোপুরি ধারণা নিতে বা জানতে। তাই আজকের আর্টিকেলে আমরা নিম পাতার ব্যবহার, উপকারিতা ও অপকারিতা সহ নিম পাতা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আপনাদেরকে বিস্তারিত ভাবে জানাতে যাচ্ছি। তাই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
আজকের আর্টিকেলে আমরা নিম গাছ কি, নিমের পুষ্টিগুণ ও নিমের ব্যবহার সহ আরো অন্যান্য পয়েন্ট নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।
ভূমিকাঃ
নিম বহু ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি বৃক্ষ। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিভিন্ন ধরনের রোগ, ত্বকের যত্নে ও চুলের যত্নে নিমপাতা। নিমের বাকল ও নিমের শেখর ব্যবহার করে আসছে। তাছাড়া নিম পাতার অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
তাছাড়া নিমের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। নিমের এত বেশি গুনাগুন যা বলে শেষ করা যায় না। আর উক্ত আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা নিমের যাবতীয় গুনাগুন, ব্যবহার, উপকারিতা ও অপকারিতাসহ সবকিছু তুলে ধরেছ। আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা সব কিছু জানতে পারবেন।
নিম গাছ কি?
নিম গাছ হল একটি ঔষধি গাছ। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। যার গুনাগুন এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। নিম গাছের ফুল, পাতা,বাকল, শিকড় সবই কাজে লাগে। আর এজন্যই নিম গাছের গুনাগুনের কথা বিবেচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা "একুশ শতকের বৃক্ষ" বলে ঘোষণা করেছেন।
নিমের পুষ্টিগুণঃ
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নিমপাতার বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। নিম আমাদের শরীরচর্চায়, ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিম পাতার মধ্যে যেগুলো পুষ্টিগুণ আছে সেগুলো হল-
এক কাপ নিম পাতায় পুষ্টিগতমানঃ
- ক্যালোরি ৪৫ গ্রাম
- প্রোটিন ২.৪৮ গ্রাম
- কার্বোহাইড্রেট ৮১ গ্রাম
- ফ্যাট ০.০৩ গ্রাম
- ক্যালসিয়াম ১৭৮.৫ মিলিগ্রাম
- আয়রন ৫.৯৮ মিলিগ্রাম
- ফাইবার ৬.৭৭ গ্রাম
- ম্যাগনেসিয়াম ৪৪.৪৫ মিলিগ্রাম
- ফসফরাস ২৩ মিলিগ্রাম
- পটাশিয়াম ৮৮.৯ মিলিগ্রাম
- সোডিয়াম ২৫.২৭ মিলিগ্রাম
নিম পাতা খাওয়ার নিয়মঃ
ভালো ফল পেতে নিমের কচি পাতা রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। সকালে খালি পেটে ৫ টি গোলমরিচ ও ১০ টি নিমপাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে। চর্ম রোগের চিকিৎসার জন্যও এটি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
নিম পাতার ১৫ টি ব্যবহারঃ
ত্বকের যত্নে নিম পাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নিম পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান।যা ত্বক ও চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করতে পারে। জেনে নেয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে নিম পাতার ১৫ টি ব্যবহার সম্পর্কে-
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিম পাতার ব্যবহার:
- নিম পাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুবই কার্যকরী। এ কারণে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে নিম পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিম পাতা রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। আর তাছাড়া এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত নিমের তৈরিকৃত ক্যাপসুল খেলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুসহ অন্যান্য সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
- নিমে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা কমায়। তাছাড়া দাঁতের প্রদাহ সারাতেও এটি বেশ কার্যকরী।
- নিম হজমের জন্য দারুন উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি- ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান পাকস্থলীর নানা সংক্রমণ দূর করতে ভূমিকা রাখে।
- নিমে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রক্ত পরিশুদ্ধ করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে লিভার ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২ টা করে মিমের তৈরি নিমের তৈরি ক্যাপসুল খেলে বিভিন্ন ধরনের টক্সিন থেকে রক্ত পরিশুদ্ধ থাকবে।
ত্বকের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার:
- ত্বকের মেছতা সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে নিম।
- ত্বকের প্রসাধনী হিসেবে নিমের তেল ও নিমপাতা নির্যাস কার্যকর। নিম তেল শুষ্ক ত্বক ও এ - সংক্রান্ত চুলকানি ও র্যাশ দূর করে।
- ত্বকের বিভিন্ন ধরনের চুলকানি দূর করতে কার্যক্রমণ ভূমিকা রাখে নিম।
- ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ফুসকুড়ি ও ঘামাচির মত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে এই নিম।
- নিম তেলে রয়েছে ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিন ই, যা ত্বককে তরুণ রাখতে ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। তাছাড়া এ তেল ত্বক খুব সহজে গ্রহণ করতে পারে।
- এতে উচ্চমাত্রা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দেহের পরিবেশগত ক্ষতি ও বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
চুলের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার:
- ফাঙ্গাল ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিনিধি ভূমিকা। অনেকেই এটি পুষ্টি প্রতিরোধে ব্যবহার করে বেশ সাফল্য পেয়েছে।
- চুল শক্ত করতে ও চুলের বৃদ্ধির জন্য নিম কার্যকর একটি উপাদান। দীর্ঘকাল থেকেই চুল ও মাথার ত্বকের খুশকি, উকুন দূর করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে নিম।
- মাথার ত্বকে অনেক সময় চুলকানি ভাব হয়, নিম পাতা রস নিয়মিত মাথায় লাগালে এই চুলকানি ভাব কমে যায়।
- চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার তেল, নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। এতে ভালো উপকার পাবেন।
খালি পেটে নিম পাতা খেলে কি হয়ঃ
নিম পাতায় উপস্থিত গুনাগুন অ্যাসিডিটিতে খুবই উপকারী এবং নিম পাতা জলে সিদ্ধ করে সকালে খালি পেটে পান করলে অ্যাসিডিটি ও পেটের ব্যথা নিরাময় হয়। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ নিমপাতার রস সকালে খালি পেটে তিন বেলা সেবন করলে ডায়াবেটিস ভালো হয়।
এছাড়াও এটি খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেওয়ার প্রবণতা কমে যায়। অপরদিকে ২৫-৩০ ফোটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
নিম পাতায় রয়েছে অনেক ধরনের ভিটামিন মিনারেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এটি সর্দি-কাশির মতো রোগ নিরাময় ব্যবহৃত হয়।
নিম পাতার উপকারিতাঃ
নিম পাতা অত্যন্ত উপকারী গুণ সম্পন্ন একটি উদ্ভিদ। নিম গাছের প্রতিটি অংশেরই উপকারিতা রয়েছে। তবে এর পাতার উপকারিতা সবচেয়ে বেশি। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিম পাতার বেশ কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-
নিম পাতা রক্ত পরিষ্কার করেঃ নিম পাতা মানবদেহের রক্ত পরিষ্কার করতে উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। নিম পাতার রস নিয়মিত সেবন করলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেকাংশে কমে আসে। এছাড়াও নিম পাতার রস হৃদপিন্ডের গতি স্বাভাবিক রাখতে ভালো কাজ করে থাকে। নিম পাতার রস শরীরের রক্ত চলাচল ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতেঃ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিম পাতার ভূমিকা অপরিসীম। নিম পাতায় উপস্থিত উপাদান গুলি শরীরকে ভিতর থেকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে। রক্ত বিশুদ্ধ করতে নিম পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নিম পাতা খাওয়া উচিত।
অ্যালার্জি দূর করেঃঅ্যালার্জি দূর করতে নিমপাতা খুবই উপকারী। অ্যালার্জির সমস্যা দূর করতে নিম পাতা ফুটিয়ে স্নান করুন। অ্যালার্জি চলে যাবে ১০০ হাত দূরে। তাছাড়া কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা একসাথে বেটে শরীরে লাগান।অ্যালার্জি কমবেই।
ব্রণ দূর করতেঃ ব্রণ দূর করতেও নিম পাতা বেশ উপকার করে। নিমপাতার গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে মুখ ধুতে পারেন। এতে ব্রণ দূর হবে এবং ব্রন থেকে তৈরি জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। এটা ব্রণ দূর করার জন্য একটি কার্যকর পদ্ধতি।
খুশকি রোধে নিমপাতাঃ নিম ও নিম পাতার রসে প্রচুর পরিমাণে ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়ান আসাম উপাদান রয়েছে। এই উপাদানগুলি খুশকির চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নিম পাতার পেস্ট তৈরি করে যদি মাথার তালুর উপর ভালো করে লাগানো হয়, তাহলে খুশকি উকুন এবং চুলকানির মতো সমস্যা থেকে সহজে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। খুশকি জান নিম পাতা যথেষ্ট উপকারী।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিমপাতাঃ নিমের আরেকটি উপকারী দিক হলো এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সুপার বা ডায়াবেটিস এর মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। নিম পাতার রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে ভালো কাজ করে থাকে।
হার্টের জন্যঃ হার্টের রক্ত সংবহনে উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে নিম পাতা এবং সেই কারণে হৃদর োগ ও হৃদরোগ ও অ্যারিথমিয়ার সম্ভাবনা কমে।
খোস পাঁচড়া নিরাময়েঃ খোস পাঁচড়া নিরাময়ে নিম পাতার ব্যবহার অনস্বীকার্য। নিম পাতার সাথে সামান্য কাঁচা হলুদ পিষে খোস পাঁচড়ায় আক্রান্ত স্থানে সাত থেকে ১০ দিন ব্যবহার করলে খোস পাঁচড়া ভালো হয়ে যাবে। সেই সাথে এটি যদি কোন পুরনো ক্ষত/ঘায়ে লাগানো হয় তবে সেটিও কিছুদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যাবে।
কৃমিনাশক নিম পাতাঃ কৃমি নাশ করতেও নিম পাতার যথেষ্ট উপকারী গুন আছে। পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায়।বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিম পাতা জুরি মেলা ভার।
নিম পাতার অপকারিতাঃ
নিম পাতার উপকারী দিকের চেয়ে অপকারী দিক অনেক কম। তারপরেও কিছু অপকারী দিক রয়েছে। নিম্নে সেগুলো দেওয়া হলো-
- গর্ভবতী অবস্থায় মহিলাদের নিমপাতা খাওয়া কোনমতেই উচিত নয়। কারণ গরবতা নিম কাটা খেলে কারণ গর্ভাবস্থায় নিমপাতা খেলে গর্ভপাত হওয়ার কারণ হয়ে উঠতে পারে এ নিম পাতা। তাই গর্ভবতী অবস্থায় নিমপাতা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।
- যেকোনো অপারেশনের অন্তত দুই সপ্তাহ আগে থেকে নিম পাতা খাওয়া এবং নিম ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।
- যে সকল মানুষের নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেসার সেই সকল ব্যক্তিদের জন্য নিমপাতা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। কারণ নিম পাতা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিম পাতা খাওয়া বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। যার কারণে অতিরিক্ত পরিমাণে নিম পাতা সেবন করা উচিত নয়।
- ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে নিম তেলের ব্যবহার কিংবা নিম তেল খাওয়া মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে বমি ভাব, দুর্বলতা, মস্তিষ্কের ব্যাধি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
- নিম পাতা গ্রহণের পরে যদি বমি, ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা সমস্যাগুলি হয় সে ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে নিম পাতা খাওয়া বন্ধ করে দিতে হয়।
- এছাড়া আপনার শরীরে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী টানা কতদিন নিম পাতা খাওয়া যেতে পারে সেটা একজন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত। কারণ একনাগারে এটি বেশি দিন খেটে থাকলে করে নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
- তাছাড়া নিমপাতা বেশিদিন খাবেন না। এতে উপকারের চেয়ে অপকার হবে।
মন্তব্যঃ
নিম আমাদের দেশের একটি অতি পুরাতন এবং বিখ্যাত গাছ সাথে অনেক উপকারী গুণের অধিকারী।তাছাড়া নিম ব্যবহারের আগে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্পর্কে জানতে হবে এবং সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। অতিরিক্ত পরিমাণে নিম পাতা ব্যবহার করা যাবে না।
এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। উক্ত আর্টিকেলে আমরা নিম পাতার ব্যবহার এবং নিম পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা বিষয় পুরোপুরিভাবে আলোচনা করেছি। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন।
আর যদি আর্টিকেলটি পরে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করবেন। আর এরকম নতুন নতুন টপিক পেতে আমাদের www.safanbd.com ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন।
সাফান বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url